১২৫ সিসি কমিউটার সেগমেন্টে নতুন চমক, বাজারে এলো Honda SP125
This page was last updated on 09-Feb-2026 02:25pm , By Arif Raihan Opu
সম্প্রতি গ্রাহকদের চাহিদা বুঝে একের পর এক চমক নিয়ে আসছে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড (বিএইচএল)। তারা ধারাবাহিক ভাবে বাংলাদেশ নতুন মডেল লঞ্চ করে যাচ্ছে। এবার তারা বাইকারদের জন্য ১২৫সিসি কমিউটার সেগমেন্টে লঞ্চ করেছে নতুন Honda SP125 মডেল।

বাংলাদেশ লঞ্চ হল নতুন Honda SP125
সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে Honda SP125 মডেলটি লঞ্চ করা হয়। মুলত অনলাইনে বা সেভাবে কোন অনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই এই মডেলটি বাজারে লঞ্চ করা হয়েছে। যদিও এর আগে হোন্ডা বাংলাদেশ তাদের NX200 মডেলটি বড় আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লঞ্চ করা হয়েছিল।
তবে এবার Honda SP125 এর ক্ষেত্রে হোন্ডা একটু ব্যতিক্রম পথেই হেটেছে। কিন্তু কমিউটার সেগমেন্টে হোন্ডার এই মডেলটি আগে থেকেই জনপ্রিয়। তাই হোন্ডা এই মডেলটিকে নতুন ভাবে সবার সামনে নিয়ে এসেছে। Honda SP 125 DLX বাইকটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৬৭,০০০ মাত্র।

সংশ্লিষ্ট সুত্রমতে, এই মডেলটি আগের ভার্সনের চেয়ে বেশ আধুনিক এবং সেই সাথে বেশ প্রযুক্তি নির্ভর। এতে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার সাথে সাথে তারা বর্তমানে সময়ের ট্রেন্ডি স্টাইলও যুক্ত করেছে।
এছাড়া আরও জানানো হয়েছে যে, নতুন এই মডেলটি আরও বেশি সেফটি ফিচার্স সমৃদ্ধ এবং গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলেই হোন্ডা দাবি করছে।

দৈনন্দিন জীবনে যাদের বেশি যাতায়াত করতে হয় তাদের দরকার হয় মাইলেজের। Honda SP 125 বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির একটি এয়ার-কুল্ড, সিঙ্গেল সিলিন্ডার SOHC, PGM-FI ইঞ্জিন।
বাইকটির হর্সপাওয়ার ১০.৮ এবং ১০.৯ এন এম টর্ক, যা শহরে প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য আদর্শ। হোন্ডা দাবি করছে বাইকটি থেকে প্রায় ৬৮ কি.মি/ লিটার মাইলেজ পাওয়া, এতে করে গ্রাহকের তেল খরচ অনেক কমে আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
হোন্ডা প্রথমবারের মত এতে যুক্ত করেছে ISS অর্থাৎ Idling Stop System প্রযুক্তি। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে হুইল স্পিড সেন্সর এবং থ্রটল সেন্সর ব্যবহার করে বাইক সম্পূর্ণ থেমে আছে কিনা তা ডিটেক্ট করে।
এই সিস্টেম এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় বাইক সম্পূর্ণ থামলে ইঞ্জিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রয়োজন হলে তা আবার দ্রুত চালু হয়।
ফলে আইডল অবস্থায় এবং স্টপ এন্ড গো ইগনিশনে বাড়তি ফুয়েল খরচ হবেনা ও মাইলেজ হবে সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি ইঞ্জিনের পার্টসগুলোর স্থায়িত্ব ও বৃদ্ধি পাবে। মূলত কর্মজীবি মানুষদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে এই বাইকটি একটি ভ্যালু ফর মানি মেশিন হতে চলেছে বলে আশা করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ হোন্ডার সকল শোরুম দেখতে এখানে ক্লিক করুন
হোন্ডা এই বাইকটি ৪টি কালারে লঞ্চ করেছে, কালার গুলো হচ্ছে পার্ল সাইরেন ব্লু, ইম্পেরিয়াল রেড মেটালিক, ম্যাট মার্ভেল ব্লু এবং কালো। বাইকটি হোন্ডার যেকোন অথোরাইজড শোরুমে পাওয়া যাবে।
বাইক বিষয়ক সকল তথ্য ও আপডেট এর জন্য বাইকবিডির সাথেই থাকুন।